প্রথম মাস মূলত ছোট ছোট প্রশাসনিক কাজের। কাজগুলো কোন ক্রমে করবেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কিছু কাজ আরেকটার ওপর নির্ভর করে। ঠিকানা ছাড়া যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা যায় না, আর কিছু কাজে ফিনল্যান্ডের ব্যক্তিগত পরিচয় কোড লাগে। নিচে একটা যুক্তিসংগত ক্রম দিলাম। শহর ও প্রতিষ্ঠানভেদে খুঁটিনাটি আলাদা, তাই এটাকে ম্যাপ ভাবুন, স্ক্রিপ্ট নয়।
ফ্লাইটের আগে
- বাসার ঠিকানা আর পৌঁছানোর তারিখ লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন।
- পাসপোর্ট, রেসিডেন্স পারমিট কার্ড (পেয়ে থাকলে), ভর্তির চিঠি আর বাসার চুক্তি হাতের ব্যাগে রাখুন।
- দরকারি ম্যাপ, গণপরিবহন আর ব্যাংকিং অ্যাপ নামিয়ে নিন।
প্রথম সপ্তাহ
- চাবি বুঝে নিয়ে অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থার ছবি তুলে রাখুন।
- স্থানীয় সিম বা প্ল্যান কিনুন।
- স্থানীয় গণপরিবহনের জন্য একটা ট্রাভেল কার্ড নিন।
- প্রতিষ্ঠানের ওরিয়েন্টেশনে যান। প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি জানতে পারবেন।
দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ সপ্তাহ
- ঠিকানা নিবন্ধন। ফিনল্যান্ডে এক বছর বা বেশি থাকলে Digital and Population Data Services Agency-তে নিবন্ধন করতে হয়, আর আপনি ফিনিশ ব্যক্তিগত পরিচয় কোড পান। আরও অনেক সেবা এর ওপর নির্ভর করে।
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন। ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নিয়ম আছে, কখনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগে।
- স্টুডেন্ট ইউনিয়নে যোগ দিন। অনেক প্রতিষ্ঠানে এটা ভর্তির সঙ্গে যুক্ত, আর ছাড় ও সহায়তা পাওয়া যায়।
- বিমা ও স্বাস্থ্যসেবা গুছিয়ে নিন। আপনার জন্য কী প্রযোজ্য, প্রতিষ্ঠানের কাছে জেনে নিন।
- ট্যাক্স কার্ড নিন, কাজ করার ইচ্ছা থাকলে।
শেষ কথা
প্রথম কয়েক সপ্তাহ ধীর আর একটু একা লাগবে, এটা কেটে যায়। ঘরে বসে থাকতে ইচ্ছা করলেও স্টুডেন্ট ইভেন্টে যান। আমাদের কাউন্সেলররা যাত্রার আগের ব্রিফিংও করেন, যা ইভেন্ট পেজে পাবেন, আর প্রশ্ন থাকলে সবসময় আমাদের লিখতে পারেন।